সাতক্ষীরার মসলা বাজারগুলোয় দাম কমেছে রসুনের। এক মাসের ব্যবধানে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে মসলাপণ্যটির দাম কমেছে কেজিতে ৪০ টাকা। বাজারে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় রসুনের দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও আড়তদাররা।
সাতক্ষীরার সবচেয়ে বড় মোকাম সুলতানপুর বড় বাজারের খুচরা মসলাপণ্য বিক্রয় প্রতিষ্ঠান মেসার্স সরদার স্টোরে গতকাল রসুন বিক্রি হয় প্রতি কেজি ৮০-৯০ টাকায়। এক মাস আগেও প্রতিষ্ঠানটিতে প্রতি কেজি রসুন ১২০-১৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী আব্দুল হাকিম জানান, বাজারে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমেছে রসুনের। তাছাড়া দেশী রসুনের উৎপাদনও অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় ভালো হয়েছে।
প্রকারভেদে রসুনের পাইকারি দামও কমেছে বলে জানান বাজারটির মসলা আড়তদার মেসার্স শাওন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ফজর আলী। তিনি বলেন, বাজারে বিভিন্ন প্রকার দেশী রসুনের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় কেজিতে ৩০-৪০ টাকা দাম কমেছে। এসব রসুন দেশের উত্তরবঙ্গসহ ফরিদপুর ও রাজবাড়ী থেকে এসেছে।
এদিকে সাতক্ষীরার ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা রাসেল আহমেদ জানান, গত কয়েক মাস ভোমরা বন্দর দিয়ে রসুন আমদানি হয় না। যেকোনো পণ্য মূলত ব্যবসায়ীদের চাহিদার ওপর নির্ভর করে আমদানি।
সাতক্ষীরা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ জানান, রসুন ও শুকনা মরিচের দাম সহনশীল পর্যায়ে রয়েছে। তাছাড়া জিরার দাম কিছুটা কমেছে। অন্যান্য মসলার দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে বাজার তদারক করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, চলতি মৌসুমে জেলায় ৪০৬ হেক্টর জমিতে রসুনের আবাদ হয়। এখান থেকে ৪ হাজার ২০০ টন রসুন উৎপাদন হয়েছে।